কুষ্টিয়ায় গণঅধিকার পরিষদ ও জামায়াত-শিবিরের নেতা-কর্মীদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগকে কেন্দ্র করে কুষ্টিয়া মডেল থানায় পৃথক দুটি এজাহার দাখিল করা হয়েছে। গত শনিবার (১৫ আগস্ট) সন্ধ্যার আগে কুষ্টিয়া শহরে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং কয়েকজন আহত হওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন স্থাপনা ও যানবাহনে হামলা-ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে।এতে গণঅধিকার পরিষদের ছাত্র সংগঠন ছাত্রঅধিকার পরিষদের কুষ্টিয়া সরকারী কলেজ শাখার সভাপতি সোহাগ আহমেদ তুফান, সাধারণ সম্পাদক মোসাদ্দেক হোসেন এবং সাংগঠনিক সম্পাদক শাহারিয়ার হোসনে সহ আরও ৪ থেকে ৫ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। এর মধ্যে সভাপতি সোহাগ আহমেদ তুফান. সাধারণ সম্পাদক মোসাদ্দেক হোসেনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন গণঅধিকার পরিষদের জেলার সাধারণ সম্পাদক আব্দুল খালেক।এছাড়াও গণঅধিকার পরিষদের জেলার সাধারণ সম্পাদক আব্দুল খালেকের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা চালিয়ে নগদ ৫ লক্ষ টাকা লুট, ৪টি এসি চুরি, ২টি এসি ভাংচুর, ২টা কম্পিউটার ভাংচুর, সিসি ক্যামেরা ভাংচুর ও সিসি ক্যামেরার ডিভিআর মেশিন চুরির অভিযোগ উঠেছে জামায়াত-শিবিরের নেতা কর্মীদের বিরুদ্ধে। গণঅধিকার পরিষদের জেলার সাধারণ সম্পাদক আব্দুল খালেকের ভাষ্যমতে, তার ব্যক্তিগত ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলার ফলে তার ৪০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে। অন্যদিকে এই ঘটনায় কুষ্টিয়া সদরের স্ব-ঘোষিত প্রধানমন্ত্রী সদর আসনের জামায়াত এমপি আমির হামজার গাড়ী ভাংচুরেরও অভিযোগ পাওয়া গেছে।